About School

প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে

পূর্ব মধুখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয় (EIIN: 102348) একটি ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যা ১৯৬৮ সালের ১ জানুয়ারি প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠানটির স্থানীয় বা বিকল্প নাম হলো Purbo Modhukhali Secondary School। বিদ্যালয়টি সরকারি কর্তৃপক্ষ কর্তৃক স্বীকৃত এবং আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি লাভ করে ১ জানুয়ারি ১৯৮৯ সালে। এটি বর্তমানে মাধ্যমিক স্তরে শিক্ষাদান করছে এবং MPO সুবিধাভুক্ত (নিবন্ধন নং: 6604041302), যার মাধ্যমে শিক্ষকদের বেতন সরকারি তহবিল থেকে প্রদান করা হয়। বিদ্যালয়টি বারিশাল শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরিচালিত হয় এবং এখানে বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে পাঠদান করা হয়। এটি একটি সহশিক্ষা (Combined) প্রতিষ্ঠান যেখানে ছেলে-মেয়ে উভয়ের জন্য শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হয়। ক্লাস পরিচালনা করা হয় দিবা শাখায় এবং বিদ্যালয়টি পরিচালিত হয় ম্যানেজিং কমিটির মাধ্যমে। এই বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেন প্রয়াত আসমত আলী খান। শুরুতে ১৯৬৮ সালে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়ে ১৯৭০ সালের ১ জানুয়ারি থেকে জুনিয়র হাই স্কুল হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। পরবর্তীতে ১৯৮৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে নবম শ্রেণি চালু করা হয় এবং ১৯৮৭ সালে প্রথমবারের মতো এই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এস.এস.সি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে যশোর শিক্ষা বোর্ডের অধীনে। বিদ্যালয়টি অবস্থিত মধুখালী গ্রাম, মিঠাগঞ্জ ইউনিয়ন, কালাপাড়া উপজেলা, পটুয়াখালী জেলাতে। এর অবস্থান ইউনিয়ন ও গ্রামের কেন্দ্রস্থলে, যেখানে জনসংখ্যার ঘনত্ব বেশি এবং এটি একটি গ্রামীণ উপকূলীয় অঞ্চলে অবস্থিত। বিদ্যালয়ের জে.এস.সি ও এস.এস.সি পরীক্ষার ফলাফল প্রতি বছরই সন্তোষজনক। শিক্ষার্থীরা পাঠ্যক্রমের পাশাপাশি ইউনিয়ন ও উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন সহশিক্ষা কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে থাকে। বিদ্যালয়ের প্রশাসন ও ব্যবস্থাপনা সুসংগঠিত এবং শিক্ষার পরিবেশ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। এর ফলে প্রতিষ্ঠানটি এলাকায় একটি সুনাম অর্জন করেছে।

প্রতিষ্ঠানের পরিসংখান

৫২০

সর্বোমোট শিক্ষার্থী

২০

শিক্ষক/শিক্ষিকা

অফিশ কর্মচারী

১৫

সর্বোমোট কক্ষ

বিদ্যালয় ভবন

প্রতিষ্ঠানের মিশন

পূর্ব মধুখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের লক্ষ্য হলো শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা প্রদান করা যা তাদেরকে জ্ঞান, দক্ষতা এবং নৈতিকতায় সমৃদ্ধ করে একজন দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলবে। বিদ্যালয়টি বিশ্বাস করে যে প্রতিটি শিক্ষার্থীর মধ্যেই সুপ্ত প্রতিভা রয়েছে, যা সঠিক দিকনির্দেশনা ও শিক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে বিকশিত করা সম্ভব।

বিদ্যালয়ের মিশন বাস্তবায়নের জন্য নিম্নলিখিত মূল্যবোধগুলিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়:
  • মানসম্মত শিক্ষা: বিদ্যালয়ে একটি সমৃদ্ধ পাঠ্যক্রম পরিচালিত হয় যা শিক্ষার্থীদেরকে তাদের জ্ঞান ও দক্ষতা উন্নয়নে সহায়তা করে। দক্ষ ও অভিজ্ঞ শিক্ষকবৃন্দ শিক্ষার্থীদের শিক্ষার অগ্রগতিতে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করেন।
  • চরিত্র গঠন ও ব্যক্তিত্ব বিকাশ: বিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা ও মূল্যবোধের চর্চার পাশাপাশি তাদের ব্যক্তিত্ব বিকাশে গুরুত্ব দেয়। সহশিক্ষা ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের লুকায়িত প্রতিভা বিকাশে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।
  • সামাজিক দায়িত্বশীলতা: বিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের সমাজ ও দেশের প্রতি দায়িত্বশীল হতে উদ্বুদ্ধ করে। স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ের বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও সেবামূলক কার্যক্রমে অংশগ্রহণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা সমাজের কল্যাণে অবদান রাখতে অনুপ্রাণিত হয়।

পূর্ব মধুখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয় দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে যে এই মূল্যবোধ ও নীতিমালাগুলি শিক্ষার্থীদেরকে আত্মবিশ্বাসী, জ্ঞানসমৃদ্ধ এবং দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলবে।

Mission Image

প্রতিষ্ঠানের ভিশন

পূর্ব মধুখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভিশন হলো একটি আধুনিক ও মানসম্মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে ওঠা, যা শিক্ষার্থীদের জ্ঞান, দক্ষতা ও নৈতিকতায় সমৃদ্ধ করে তাদের পূর্ণ সম্ভাবনা অর্জনে সহায়তা করবে। বিদ্যালয় বিশ্বাস করে যে শিক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা একটি আলোকিত ভবিষ্যৎ নির্মাণ করতে পারে এবং সমাজ ও জাতির উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে।

বিদ্যালয়ের ভিশন বাস্তবায়নের জন্য নিম্নলিখিত লক্ষ্যসমূহ অর্জনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ:
  • উচ্চমানের শিক্ষা প্রদান: সমৃদ্ধ পাঠ্যক্রম ও দক্ষ শিক্ষকবৃন্দের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের বিশ্বমানের শিক্ষা প্রদান করা।
  • ব্যক্তিত্ব বিকাশ: শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস, নেতৃত্বগুণ ও প্রতিভা বিকাশে সহায়ক বিভিন্ন সহপাঠ্যক্রমিক কার্যক্রমের আয়োজন করা।
  • সামাজিক দায়িত্বশীলতা: শিক্ষার্থীদের নৈতিক ও সামাজিক মূল্যবোধের চর্চা নিশ্চিত করা এবং সমাজসেবামূলক কাজে অংশগ্রহণের মাধ্যমে তাদেরকে দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা।

পূর্ব মধুখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভিশন একটি উচ্চাভিলাষী লক্ষ্য হলেও এটি অর্জনে বিদ্যালয় দৃঢ়ভাবে অঙ্গীকারবদ্ধ। বিদ্যালয় বিশ্বাস করে যে শিক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা একটি উন্নত ভবিষ্যৎ গড়ে তুলবে এবং একটি উন্নত সমাজ গঠনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে।

Vision Image